মৎস্য কন্যা-মেরমেইড সিনড্রোম

একানড়ে রোগ, যা মেরমেইড সিনড্রোম নামে পরিচিত, একটি বিরল জন্মগত অস্বাভাবিকতা যা নিম্ন অঙ্গের অস্বাভাবিক বিকাশের কারণে সৃষ্ট হয়। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির পায়ের গঠন স্বাভাবিক থাকে না এবং এটি বিভিন্ন প্রকারভেদে বিভক্ত করা হয়। প্রতি ১ লাখ জন্মে এমন শিশু ১টি দেখা যায়।

Sirenomelia, also called mermaid syndrome.

এই রোগের ফলে দুটি পা একত্রিত হয়ে একটির মতো দেখতে হয়, যা মৎস্যকন্যার লেজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। একানড়ে রোগের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য শারীরিক সমস্যা হতে পারে, যেমন মূত্রনালি, কিডনি এবং পরিপাকতন্ত্রের বিকৃতি। এই রোগটি জন্মগত কারণজনিত এবং এর প্রকৃত কারণ এখনও সম্পূর্ণরূপে বোঝা যায়নি, তবে এটি জেনেটিক এবং পরিবেশগত ফ্যাক্টরের মিশ্রণের ফল হতে পারে। একানড়ে রোগের চিকিৎসা এবং পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হয় বহু-বিভাগীয় চিকিৎসা সেবা।

Mermaid baby বলতে সাধারণত Sirenomelia বা Mermaid Syndrome বোঝানো হয়।

মেরমেইড সিনড্রোম এর বৈশিষ্ট্য:

১. দুই পা একসঙ্গে যুক্ত হয়ে জন্মায়।

২. পায়ের হাড় ও পেশির গঠন স্বাভাবিকের তুলনায় ভিন্ন হতে পারে।

৩. কিডনি, মূত্রনালী, অন্ত্র বা জননাঙ্গের ত্রুটি থাকতে পারে।

৪. রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা থাকতে পারে।

মেরমেইড সিনড্রোম এর কারণ ও ঝুঁকি :

এই অবস্থার সঠিক কারণ পুরোপুরি জানা যায়নি, তবে সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে –

-জেনেটিক সমস্যা।

– গর্ভাবস্থায় অপুষ্টি বা রক্তসঞ্চালনের জটিলতা।

– ডায়াবেটিসসহ কিছু রোগের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে।

মেরমেইড সিনড্রোম এর চিকিৎসা :

Sirenomelia-তে আক্রান্ত শিশুরা সাধারণত জন্মের পর বেশি দিন বাঁচতে পারে না, কারণ তাদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ত্রুটি থাকে।

তবে কিছু ক্ষেত্রে অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করে ভালো হয় কিন্তু বেশিরভাগ ই মৃত্যুবরণ করে।

ছবিতে নির্দেশিত mermaid baby টাও জন্মের কিছুক্ষণ পর ই মারা যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *