থাইল্যান্ড চিকিৎসা এবং বিনোদন পর্যটনের জন্য বাংলাদেশিদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে তাই থাইল্যান্ডে এখন বাংলাদেশিদের যাতায়াতের প্রচুর চাহিদা বাড়ছে। আর তাই বাংলাদেশিদের কথা মাথায় রেখে সম্প্রতি ই-ভিসা চালু করেছে থাই এম্বাসি। এইখানে উল্লেখ করা ছিলো, এখন থেকে মাত্র ১০ দিনেই পাওয়া যাবে ই-ভিসা। কিন্তু এই ই-ভিসা নিয়েই নানা জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন বাংলাদেশিরা।
মূলত জটিলতা তৈরি হচ্ছে ভিসার পেমেন্ট নিয়ে। থাই এম্বাসি সহজেই ই-ভিসা আবেদনের কার্যক্রম শুরু করলেও ই-ভিসা একদিনে সর্বোচ্চ ৪৫০ জন এপ্লিকেন্ট আবেদন করতে পারছেন কিন্তু সেখানে পেমেন্ট করার জন্য মাত্র তিন ঘণ্টা সময় দেওয়া আছে। এতে ভিসার জন্য আবেদন করা গেলেও পেমেন্ট অপশনে গিয়ে আটকে যাচ্ছেন এপ্লিকেন্ট-রা। আগে ৮০০ ভিসা ইস্যু করা গেলেও এখন অনলাইনে মাত্র ৪৫০ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে কিন্তু যার বিপরীতে দিনে জমা পড়ছে প্রায় ১৮-১৯ হাজার-টি আবেদন। আর এতেই মূলত তৈরি হচ্ছে আসল সমস্যা।
তাই এই সমস্যা সমাধানের জন্য থাই এম্বাসি কিছু পদহ্মেপ নিয়েছেন। থাইল্যান্ডে গিয়ে চিকিৎসা করাতে চাচ্ছেন এমন রোগীদের ভিসার ভোগান্তি এখন কিছুটা হলেও কমবে। চলুন জেনে নেই থাই এম্বাসির পদহ্মেপ গুলো সম্পর্কে :
এখন থেকে তিনটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিদের ভিসা প্রদান করবে থাই এম্বাসি। যারা চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যেতে চাচ্ছেন তারা থাই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন এখন খুব সহজেই। মূলত গুরুতর রোগীদের কথা চিন্তা করে এই সুবিধা চালু করা হয়েছে।
যাদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা :
★ ক্যান্সার, হৃদরোগ, কেমোথেরাপির রোগীরদের জন্য।
★ যেকোনো বড় ধরনের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন এমন রোগীদের জন্য।
★ প্রসবকালীন জটিলতার সম্মুখীন গর্ভবতী নারীদের জন্য।
যেভাবে করতে হবে এই আবেদন :
যারা জরুরি চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যেতে চাচ্ছেন সেহ্মেত্রে,
√ বাংলাদেশে অবস্থিত থাই বিভিন্ন হাসপাতালের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিবেন।
√ এরপর থাই হাসপাতালের প্রতিনিধিগন আপনার জরুরি প্রয়োজনের আবেদন-টি থাই এম্বাসিকে জানিয়ে দিবেন। আর আপনার ভিসা তাড়াতাড়ি চলে আসবে।
তাই নতুন ই-ভিসা সুবিধায় চিকিৎসা নিতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিরা রোগীরা এখন থাইল্যান্ডে যেতে পারবেন খুব সহজেই।
থাইল্যান্ডের ই-ভিসা সংক্রান্ত বা হাসপাতাল সর্ম্পকিত যেকোনো সহযোগিতা পেতে আজ-ই যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে। ধন্যবাদ।