সারাদিন খেলাধুলার পরে হঠাৎ প্রচন্ড। প্রায় ৭ দিন জ্বরের সাথে সারা শরীর ব্যথা সহ বিভিন্ন সমস্যা। এই অবস্থা দেখে দ্রুত বাংলাদেশের স্বনামধন্য একটি হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা করেন। সব ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক যা বলেন তা শোনার জন্য ফাহাদের পরিবার মোটেও প্রস্তুত ছিল না।
চিকিৎসক বললেন ক্যান্সার হয়েছে, যা এখন সেকেন্ড স্টেজে আছে এবং চিকিৎসক কেমোথেরাপি দেওয়ার পরার্মশ দেন এরপর দুইটি কেমোথেরাপিও দেয়া হয়। পুরো পরিবার চিন্তিত ছিল কারণ তাদের হাসিখুশী প্রানবন্ত ছেলেটার শারীরিকভাবে কোন ধরনের অসুস্থতা ছিল না কিন্তু হঠাৎ করে ক্যান্সার-এর সেকেন্ড স্টেজে চলে যাওয়াটা তাদের মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছিলো।
দুইটি কেমোর পরে ফাহাদের অবস্থা যেনো আরও খারাপ হয়ে পড়ে। তাই তার পরিবার সিদ্ধান্ত নেন যত দ্রুত সম্ভব ফাহাদকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাবেন কিন্তু সমস্যা হল –
১. কোন দেশে যাওয়াটা ভালো হবে ?
২. কোন হাসপাতালটি চিকিৎসার জন্য সঠিক হবে ?
৩. কোন চিকিৎসক সেরা হবে ?
তারপর যোগাযোগ করে আমাদের সাথে, আমরা বাছাই করি থাইল্যান্ডে অবস্থিত ক্যান্সারের জন্য সেরা হাসপাতাল।
যে কারণে বাছাই করা হয়েছে
হাসপাতালটি তাদের ল্যাবের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ক্যান্সার শনাক্তকরণের জন্য অন্যান্য হাসপাতাল গুলোর থেকে এগিয়ে রয়েছে। যার প্রধান কারণ উন্নত ডায়গনিস্টিক প্রযুক্তির ব্যবহার। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য –
এআই-সহায়ক ইমেজিং স্ক্রীনিং প্রোগ্রাম, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের শক্তিশালী দলীয় কাযর্ক্রম, ক্যান্সারের প্রবণতা শনাক্ত করার জন্য জেনেটিক পরীক্ষায় দক্ষতা এবং সঠিক যত্নের মাধ্যমে প্রাথমিক সনাক্তকরণের উপর ফোকাস করা হয় যাতে আরও ভাল ফলাফল পাওয়া যায়।
তাই সব কিছু ভেবে সিদ্ধান্ত নেন, উন্নত চিকিতৎসার জন্য থাইল্যান্ডের হাসপাতালে চিকিৎসা করাবেন।
আমরা যাবতীয় কাযর্ক্রম সম্পন্ন করি ৬ দিনে। চিকিৎসা সর্ম্পকিত সকল ধরনের সেবা নিশ্চিত করি, যেমন :
১. সম্পুর্ন চিকিৎসা সর্ম্পকিত রিপোর্ট হাসপাতালে ইনকুয়ারিতে পাঠানো
২. সঠিক ডাক্তার সিলেক্ট ও অ্যাপোয়েন্টমেন্ট করা
৩. হাসপাতাল থেকে ইনভাইটেশন এনে দ্রুত সময়ে ভিসা করা
৪. এয়ার টিকেট ও হোটেল বুকিং করা
সবধরনের পরীহ্মা-নীরিক্ষা সম্পন্ন করে জানা যায়, ফাহাদের শরীরে ক্যান্সারের জীবাণু-ই নেই কিন্তু ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
যদি এখন থেকেই তাকে ঠিকভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় তাহলেই ফাহাদ সম্পুর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাংলাদেশে ফিরে আসে।
সেই সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত মেডিসিন গ্রহন ও নিয়ম মেনে অনেক ভাল আছেন।
সঠিক সমস্যা যেনেই চিকিতৎসা নিলে সকল সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।