ই-ভিসার আবেদন করার সঠিক নিয়ম

দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডিয়ার ভিসা নিয়ে চলছে জটিলতা। তাই থাইল্যান্ডে ট্রিটমেন্ট করা এখন বাংলাদেশিদের কাছে প্রথম পছন্দ।

জানুয়ারী থেকে থাইল্যান্ড শুরু করেছে ই-ভিসা পদ্ধতি। আপনিও ঘরে বসে করতে পারবেন এই ভিসার আবেদন খুব সহজেই।

যেভাবে করবেন ই-ভিসার আবেদন :

১.  প্রথমেই thaievisa.go.th ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিন।

২.  এরপর একটি ইমেইল আইডি লগইন করে নিন।

৩.  আপনার ব্যক্তিগত সব ধরনের তথ্য এবং ভ্রমণের কারণটি উল্লেখ করে আবেদন পত্রটি সঠিকভাবে পূরণ করুন।

৪. এরপর পাসপোর্ট এবং ছবি স্ক্যান করে আবেদন পত্রে  যোগ করে ফেলুন।

৫.  সব ধরনের তথ্য পরিপূর্ন করে এইপর্যায় ভিসা ফি প্রদান করে নিন।

৬.  সবশেষে আপনার থাই ই-ভিসা কনফার্ম হওয়ার পালা এবং আপনার ই-ভিসা যদি কর্নফার্ম করা হয়, তাহলে এম্বাসি থেকে আপনাকে মেইলে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ভিসা আবেদনের পূর্বে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে রাখা ভালো। প্রথমেই যে প্রশ্নটি করে থাকেন, আমি থাইল্যান্ড যেতে চাচ্ছি তাহলে আমার কি কি ডকুমেন্টস লাগবে?যদি আপনার কাছে এই ডকুমেন্টস গুলো থাকে তাহলে আজই আপনি থাইল্যান্ড যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন খুব সহজেই।

যে ডকুমেন্টস গুলো প্রয়োজন :

. পাসপোর্ট

২. ছবি (3.5X4.5মি.মি)

৩. জন্ম নিবন্ধন কাগজ (যদি আপনার NID কার্ড না থাকে সে হ্মেত্রে)

৪. NID কার্ড

৫. ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাঙ্ক সলভেন্সি

৬. ট্রেড লাইসেন্স (ব্যবসায়ীর হ্মেত্রে)

৭. লেটার প্যাড, ভিজিটিং কার্ড (ব্যবসায়ীর হ্মেত্রে)

৮. NOC, অফিস আইডি কার্ড (জব হোল্ডারের হ্মেত্রে)

৯. স্যালারি অ্যাকাউন্ট বা স্যালারি স্লিপ (জব হোল্ডারের হ্মেত্রে)

১০. স্টুডেন্ট আই’ডি কার্ড (ছাত্রদের হ্মেত্রে)

আশা করছি, আপনার থাইল্যান্ড যাওয়া এখন অনেক বেশি সহজ হবে যদি আপনার কাছে থাকে এই ডকুমেন্টস গুলো।

থাইল্যান্ডের মেডিকেল ভিসা এবং টুরিস্ট ভিসার জন্য সহযোগিতার লহ্ম্যে আমরা আছি আপনার পাশে। তাই আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে, ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *